ভয়ঙ্কর টাইম বোমার ওপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ

জুন ১১, ২০১৭, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ
লে. জে. মাহবুবুর রহমান (অব.):

আজ থেকে চার দশকেরও আগে। আমি তখন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অপেক্ষাকৃত একজন তরুণ অফিসার। বাংলাদেশের রাজনীতিতে ইতিমধ্যে আকস্মিক অনেক বড় পরিবর্তন ঘটে যায়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হন। বাংলাদেশ এক ঘোর অনিশ্চয়তায় নিপতিত হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সহযোগিতার হাত প্রসারিত করে গণচীন।   ত্বরিত কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে আস্থা দেয় এবং ভরসার জায়গাটা শক্ত করে। তখন আমি ঢাকায় ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নে সিও পদে আসীন। আমার মনে পড়ে সেনাসদরে সিজিএস জেনারেল মঞ্জুর আমাকে ডেকে পাঠালেন। আমাকে বললেন তুমি পাকিস্তানে চীনা ভাষা পড়েছিলে। কিছু মনে আছে? আমি বললাম, সে তো অনেক দিন আগের কথা। আর কোর্স শেষ না হতেই যুদ্ধ বেধে গেল। তবুও নিশ্চয়ই অনেক কিছু মনে আছে। তিনি আমাকে বললেন, তুমি আবার চীনে যাবে চীনা ভাষা পড়তে।

পিকিং ল্যাংগুয়েজ ইনস্টিটিউটে (এখন ইউনিভার্সিটি) আমি চীনা ভাষায় পড়াশোনা করছি। আমাদের ক্লাসে ছিল ভিক্টর নামে এক সহপাঠী। ভেনেজুয়েলায় বাড়ি। বাংলাদেশ সম্বন্ধে তার অসীম কৌতূহল। অনেক কিছু জানতে চায়। একদিন আমার রুমে এসে বাংলাদেশের অনেক ছবি দেয়ালে টাঙানো দেখে খুশি হয়ে বলে, তোমার দেশটা তো ভারি সুন্দর, শুধু নদ-নদী গাছপালা। ছায়া ঢাকা, পাখি ডাকা শ্যামলে শ্যামল সবুজে সবুজ নীলিমায় নীল তোমার দেশ। সে জিজ্ঞাসা করে তোমার দেশটা কত বড়, কত তার আয়তন। আমি বলি পঞ্চান্ন হাজার বর্গমাইল। সে মাইলের হিসাব বুঝে না। সে সঙ্গে সঙ্গে কলম হাতে নিয়ে স্কয়ার কিলোমিটারে কনভার্সন করে বলে, তোমার দেশটা এত ছোট। লোকসংখ্যা জানতে চাইলে আমি বলি সাড়ে সাত কোটি। সে কোটি বুঝে না ব্যাখ্যা করে বলি ৭৫ মিলিয়ন। তখন বাংলাদেশের জনসংখ্যা এমনই ছিল। সে কপালে হাত দিয়ে বলে, তুমি কি সত্যি বলছ। আমি বলি হ্যাঁ। সে বলে না, এ অসম্ভব।

আজ বাংলাদেশের জনসংখ্যা সাড়ে ষোল কোটি। ছিয়াত্তর সালের লোকসংখ্যার চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি। আমাদের দেশের আয়তন যা ছিল তা স্ফীত হয়নি। তাই রয়ে গেছে। বরং পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধিতে সমুদ্রের জলস্ফীতির কারণে বাংলাদেশের স্থলসীমা প্রতিনিয়ত সংকুচিত হচ্ছে। দক্ষিণে উপকূলের অনেক অঞ্চল তলিয়ে গেছে। এটি বাংলাদেশের জন্য একটি গভীর উদ্বেগের বিষয়। জনসংখ্যা ঘনত্বের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে নবম। উপরের দেশগুলো ম্যাকাও, সিঙ্গাপুর, হংকং, জিব্রাল্টার (ইউকে), ভ্যাটিকান সিটি, মাল্টা, বারমুডা।

দেশগুলো সবই নগর রাষ্ট্র। মাল্টা ও বারমুডা নগর রাষ্ট্র না হলেও দ্বীপ রাষ্ট্র, যারা পর্যটনের জন্য বিখ্যাত। পর্যটন কেন্দ্রিক দ্বীপ রাষ্ট্র হওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি। বাংলাদেশ কোনো নগর রাষ্ট্র নয়। দ্বীপকেন্দ্রিক পর্যটন রাষ্ট্রও নয়। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে চীন ও ভারতে। যাদের জনসংখ্যা যথাক্রমে ১৩৪ কোটি ও ১২০ কোটি। অথচ তাদের দেশের জনঘনত্ব মাত্র যথাক্রমে ১৩৯ ও ৩৬২ জন প্রতি বর্গকিলোমিটারে। যদি বাংলাদেশের সমান জনঘনত্ব চীন ও ভারতে হতো তাহলে তাদের দেশের জনসংখ্যা দাঁড়াত যথাক্রমে ১৮৫.৫ কোটি ও ৩৭৩ কোটি। দেশে জনসংখ্যার নেতিবাচক চাপ পড়ছে সব খাত ও পুরো দেশের জনজীবনে। জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে বাড়ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও শিক্ষার হার, অপরাধপ্রবণতাসহ নানা জটিল সমস্যা। শহস্রাব্দ উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছে সব সরকার। বয়স, যোগ্যতা, দক্ষতা অনুযায়ী জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনায় নেই সরকারের আধুনিক ও বাস্তবসম্মত কার্যক্রম। নেই জাতীয় পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার নীতিমালা। চারদিকে শুধু মানুষ আর মানুষ। দেশে প্রতি ১১ সেকেন্ডে জন্মায় একটি শিশু। বেসরকারি এক প্রতিষ্ঠানের হিসাব মতে, ৫ বছর ধরে বছরে ৩২ লাখের বেশি শিশু জন্ম নিচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশের জনসংখ্যা এখন কত এ বিষয়ে সঠিক পরিসংখ্যান সরকারের কাছে নেই। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পরিসংখ্যান নিয়ে চলছে নানা বিতর্ক। জাতিসংঘের বিশ্ব জনসংখ্যা পরিস্থিতি প্রতিবেদন ২০১০-এ বলা হয়, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৪৪ লাখ ২৫ হাজার। জনসংখ্যাবিষয়ক গবেষক অধ্যাপক ডা. এ কে এম নুরুন্নবী এ প্রসঙ্গে বলেছেন, জনসংখ্যার আকার বেড়ে যাওয়ায় সব ক্ষেত্রে সমস্যা প্রকট হয়ে উঠছে। এর গতিরোধ ও সঠিক ব্যবস্থাপনা করতে সরকার ব্যর্থ হলে দেশটি বসবাস ও শাসনের অযোগ্য হয়ে যাবে। তার মতে, জনসংখ্যা

ব্যবস্থাপনা নিয়ে কোনো সরকারই কখনো এতটুকুও ভাবেনি। একটা সময় হয়তো শুধু নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারটিই মুখ্য ছিল। এখন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জরুরি। নয়তো জনসংখ্যাকে সম্পদে পরিণত করার ব্যাপারটা নিছক স্লোগানের মধ্যেই আটকে থাকবে। বাংলাদেশে যে সত্যিকার অর্থে জনবিস্ফোরণ ঘটছে তা আর কাউকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখানোর দরকার নেই। বাংলাদেশের আনাচে-কানাছে সর্বত্র মানুষের যে বিপুল সমাগম দেখা যায় পৃথিবীর অন্য কোনো প্রান্তে তা কখনই দেখা যায় না। বঙ্গোপসাগরের মধ্যে জেগে ওঠা চরে যেখানে বসবাস করার ন্যূনতম কোনো সুযোগ-সুবিধা নেই সেখানেও বাস করছে হাজার হাজার মানুষ। সেখানে নেই কোনো সুপেয় পানি, স্বাস্থ্য, পরিসেবা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, রাস্তাঘাট। কিছুই নেই। মানুষ যে কীভাবে সেখানে বসবাস করে তা স্বচক্ষে না দেখলে কারোরই বিশ্বাস হবে না। যদি কোনো ঘূর্ণিঝড় সেসব অঞ্চলে আঘাত হানে মানুষ সেখানে অকাতরে মারা যায় মশামাছির মতো। মানুষের জীবনের কোনো কানাকড়িও মূল্য নেই তা বোঝা যায় এসব জায়গায় গেলে। প্রশ্ন হলো, কেন এহেন দুর্গম অঞ্চলে মানুষ বসবাস করছে? উত্তর হলো এদের বসবাসের জন্য বিশাল ধরিত্রীতে কোনো জায়গা নেই। এ বিরাট পৃথিবীতে ছোট্ট একটা কুঁড়েঘর বানিয়ে জীবন ধারণের স্থান তাদের নেই। আর তাই জীবনের মহা ঝুঁকি নিয়ে এসব প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে বসবাস করে। বেশি দূর যাওয়ার দরকার নেই। ঢাকার মধ্যে বিশেষ করে রেল লাইনের পাশে যেভাবে ঝুপড়ি ঘর বেঁধে হাজার হাজার মানুষ বসবাস করে, তাদের নেই পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, সুপেয় পানি। দেখা যায় যেসব জায়গায় ময়লা জমাট করে নিচু জমি ভরাট করা হচ্ছে তার পাশেই মানুষ বস্তিঘর বেঁধে ভয়াবহ দুর্গন্ধের মধ্যে বসবাস করছে। দেখা যায় দুর্গন্ধ এতটাই প্রকট যে বেওয়ারিশ কুকুর পর্যন্ত সেখানে যায় না। অথচ মানুষ দিব্যি সেখানে বসবাস করছে। এর চেয়ে আর বেশি কীভাবে মানুষ অপমানিত, হীন ও লাঞ্ছিত হতে পারে। জনঘনত্বের চাপ ঢাকা নগরীতে এতটাই ভয়াবহ আর মারাত্মক যে রাজপথের দুই ধারে যে ফুটপাথ আছে তা গভীর রাত পর্যন্ত জনস্রোতে ব্যস্ত থাকে। ফুটপাথ দিয়ে যাওয়া প্রায় দুঃসাধ্য।

এ ছাড়া গভীর রাত পর্যন্ত গোটা নগরী ভয়াবহ যানজটে আটকে থাকে। যে নগরীতে বড়জোর ৩০ লাখ লোক কোনোমতে বসবাস করতে পারে সেখানে স্থায়ীভাবে বাস করছে ১ কোটি ৩০ লাখ লোক, মানে বাড়তি ১ কোটি লোক ঢাকা নগরীতে বসবাস করে। এ ছাড়া প্রতিদিনই এ নগরীতে ২০ থেকে ৩০ লাখ লোক আসে, তারা কাজ শেষে ফিরে যায়। অর্থাৎ ১ কোটি ৩০ লাখ অতিরিক্ত লোক প্রতিদিন ঢাকা নগরীতে চাপ প্রয়োগ করছে। এ অতিরিক্ত লোকের জন্য নেই থাকার ঘর, রাস্তাঘাট, স্বাস্থ্য পরিসেবা, খাবার পানি। উপরন্তু এরা ৩০ লাখ লোকের জন্য বরাদ্দ সবকিছুতে ভাগ বসিয়ে তাদের জীবনটাও দুর্বিষহ করে তুলছে। যে কারণে ঢাকা মহানগরী এখন পৃথিবীর সবচেতে বাজে, সবচেয়ে একটা নিকৃষ্ট নগরীতে পরিণত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, জনসংখ্যার এত ঘনত্বের কারণে ঢাকায় নানা রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর চাপ। স্বাস্থ্য অধিদফতরের ২০০৭ জুনের হিসাব অনুযায়ী বর্তমান তিন হাজার ১২ জন মানুষের জন্য একজন চিকিৎসক ৬ হাজার ৩৪২ জন মানুষের জন্য একজন সেবিকা আছে। এ সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় বিস্ময়করভাবে কত কম তা সহজেই অনুমেয়। উপচে পড়া মানুষের কারণে অপরিকল্পিত নগরায়ণ হচ্ছে। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বর্জ্য অপসারণ, পরিবহন, যানজট, পয়ঃনিষ্কাশন, অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভয়াবহ সমস্যা মোকাবিলা করতে হচ্ছে সরকার ও নগরীর বাসিন্দাদের। প্রশ্ন হচ্ছে, এ থেকে বেরিয়ে আসার উপায় কী। জনসংখ্যা ২০ কোটি ছাড়ালে তা কোন পর্যায়ে পৌঁছাবে তা ভেবে শঙ্কিত না হয়ে পারা যায় না। বর্তমানে জনসংখ্যা কোনোভাবেই আর বাড়তে দেওয়া চলে না। জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের রিপোর্টের গবেষকরা বলছেন কয়েকটি কারণে বাংলাদেশের জনসংখ্যা বাড়ছে। এগুলোর মধ্যে আছে কম বয়সে বিয়ে, প্রজননক্ষম বিবাহিত নারীর উচ্চহার, মানুষের গড় আয়ু বাড়া, অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ। বাংলাদেশে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বিফল হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ অসচেতনতা ও অশিক্ষা। মুখ দিয়েছেন যিনি আহার দিবেন তিনি। আধুনিক সমাজে এ ধরনের কুসংস্কারের কোনো স্থান নেই। সামাজিক ট্যাবু ভেঙে বেরিয়ে আসতে সরকার ও নীতি নির্ধারকদের উদ্যোগ নিতে হবে। অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ এড়াতে পাঠ্যপুস্তকে যৌন শিক্ষার মৌলিক ধারণা অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে। ইউরোপের দেশগুলো জনসংখ্যা কমে যাচ্ছে বলে চিন্তিত। আর বাংলাদেশের মতো স্বল্প উন্নত দেশে তার চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। আমরা অধিক জনসংখ্যা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছি। ১৯৯৫ সালে যেখানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ১.৫, সেখানে ২০০৫ সালে সেই হার হয়েছে ২.১। যদি এখনই পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া না হয় তাহলে তা অনুমিত হিসাবকে ছাড়িয়ে যেতে বাধ্য। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আর্থ-সামাজিক বিবেচনাকে গুরুত্ব দিতে হবে। বাল্যবিবাহ রোধে আইনের প্রয়োগে আরও কঠোর হতে হবে। প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষা বিষয়ে প্রচার বাড়াতে হবে। একাধিক সন্তান গ্রহণের একটি বড় কারণ পুত্র সন্তানের প্রত্যাশা। সমাজে কন্যা সন্তানের গুরুত্ব বৃদ্ধি এবং সম্পত্তিতে সমান অধিকার নিশ্চিত করতে না পারলে এ অপসংস্কৃতি দূর করা অসম্ভব। এ জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে সব ধর্ম বর্ণের মানুষের জন্য অভিন্ন পারিবারিক আইন প্রণয়নের বিকল্প নেই। চীনের এক সন্তান নীতি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে খুবই কার্যকরী উদাহরণ। আমরা এখনই এই নীতি গ্রহণ করতে না পারলেও দুই সন্তান নীতি বাধ্যতামূলক করার সময় চূড়ান্তভাবে উপস্থিত। ‘ছেলে হোক মেয়ে হোক দুই সন্তানই যথেষ্ট’ শুধু এ রকম প্রচারের মধ্যে বিষয়টি সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। এখনই আইন করে ঘোষণা করতে হবে ‘দুই সন্তানের বেশি’ কঠোর শাস্তিযোগ্য অপরাধ। জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে এখন দেশের চরম মহাসমস্যা হিসেবে ঘোষণার চূড়ান্ত সময় এসেছে। জনসংখ্যাকে দেশের একনম্বর সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে হবে। নারীর প্রজনন হার কমাতে পরিকল্পনা কর্মসূচি পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে। অপরিণত বয়সে বিবাহের বিরুদ্ধে আইনকে আরও কঠোর করতে হবে।

ঠিক কী কী কারণে এ কর্মসূচি পুরোমাত্রায় সফলতার মুখ দেখতে পারছে না তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করে সঠিক ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।   এর কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশকে কখনই জনসংখ্যা টাইম বোমার ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে দেওয়া যাবে না। ঘড়ি টিক টিক করে বেজেই চলেছে, তাই সময় থাকতেই জনসংখ্যা বিস্ফোরণের মহাআশঙ্কার নিরসন করতে হবে। দেশকে বাঁচাতে হবে।   মানুষকে বাঁচাতে হবে।

লেখক : সাবেক সেনাপ্রধান।

পড়া হয়েছে ১২৫ বার

( বি:দ্রঃ আপনভূবন ডটকম -এ প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও, কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। কপিরাইট © সকল সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আপনভূবন ডটকম )

আপনার ফেসবুক একাউন্ট ব্যবহার করে মতামত প্রদান করতে পারেনঃ