চিকুনগুনিয়া ভয়ংকর

জুলাই ১১, ২০১৭, ৫:৩৮ অপরাহ্ণ

সব সরকারি হাসপাতালে ‘হেল্প ডেস্ক’ খোলার সিদ্ধান্ত

এ রোগের মূল উপসর্গ হলো জ্বর এবং অস্থিসন্ধির ব্যথা। শরীরের তাপমাত্রা অনেকটা বেড়ে প্রায়ই ১০৪ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠে যায়, তবে কাঁপুনি বা ঘাম দেয় না। জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে মাথাব্যথা, চোখ জ্বালা, গায়ে লাল লাল দানার মতো র‌্যাশ, অবসাদ, অনিদ্রা, বমি বমি ভাব ইত্যাদি দেখা দিতে পারে

পৌনে দুই মাস আগে গায়ে কাঁপুনি ধরিয়ে জ্বর আসে কলাবাগান এলাকার বাসিন্দা হারুন অর রশিদের। প্রথমে ভেবেছিলেন সাধারণ জ্বর। কিন্তু দুদিন পরই শরীরে প্রচন্ড ব্যথা। আর জ্বরও কমে না। গায়ে ১০৪-১০৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। চিকিৎসকের কাছে যেতেই জ্বরের ধরন দেখে চিকিৎসক বললেন তার চিকুনগুনিয়া হয়েছে।
এই জ্বরের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে হারুন অর রশিদ বলেন, ‘কী যে প্রচন্ড ব্যথা, তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। হাত-পায়ের গিরায় গিরায় ব্যথা। পরে ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে রগেও। ঘুম থেকে উঠলে ব্যথায় পায়ের পাতা মাটিতে রাখা যায় না। স্বাভাবিক হতে এক ঘণ্টা সময় লাগে। পৌনে দুই মাস আগে হলেও এখনো ব্যথা আছে। ব্যথা একেক দিন একেক জায়গায়। এখনো ঠিকমতো সেরে উঠিনি।’

কাঁঠালবাগান এলাকার আরেক বাসিন্দা মো. সবুজ কাজ করেন একটি বেসরকারি হাসপাতালে। তার হাসপাতালে গত কয়েক দিন ধরে চিকুনগুনিয়ার রোগী আসতে থাকে। এখন তিনি নিজেও এই জ্বরে আক্রান্ত। তিনি বলেন, ‘ঈদের ১০ দিন আগে আমার জ্বর আসে। উপসর্গ দেখেই বুঝেছি আমার চিকুনগুনিয়া হয়েছে। তারপরও নিশ্চিত হতে চিকিৎসকের কাছে যাই। চিকিৎসক জানান, চিকুনগুনিয়া হয়েছে। চিকিৎসক নাপা ট্যাবলেট আর তরল খাবার খেতে পরামর্শ দিয়ে বিশ্রাম নিতে বলেছিলেন। সাত থেকে আট দিন ছুটি কাটানোর পর গতকাল অফিসে যাওয়া শুরু করেছি। কিন্তু বসে থাকতে ভীষণ কষ্ট হয়।’
কল্যাণপুর এলাকার বাসিন্দা সামসুর রহমান এক সপ্তাহ আগে চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হন। এই রোগের ভয়াবহতা বোঝাতে তিনি বলেন, ‘এক কথায় অসহ্য যন্ত্রণা। একসঙ্গে জ্বর, পাতলা পায়খানা, বমি, গা ব্যথা, খাবারে অরুচি। এক সপ্তাহে সারা শরীর বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। তিনি বলেন, এত দিন ভোগার পর এখন কিছুটা সুস্থ বোধ করছি। কিন্তু ব্যথা আছে সারা শরীরে।’
মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা ফিরোজুল ইসলাম বলেন, ‘আমাকে এই রোগে অনেক দিন ধরে ভুগতে হচ্ছে। আমার কোনো শত্রুরও যেন এ রোগ না হয়। ভয়ংকর ব্যথা। সহ্য করা যায় না।’ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) সরকার চিকুনগুনিয়া নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার দুপুরে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত মানুষ সেখানে এসে রক্ত পরীক্ষা করছে। গুলশান ১ থেকে এসেছেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী মো. পলাশ। তিনি বলেন, ‘গত শনিবার থেকে তীব্র ব্যথা আর জ্বর। টেলিভিশনে দেখলাম এখানে বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা করা হয়। তাই এখানে এসেছি।’ কর্তব্যরত এক চিকিৎসক জানালেন, এখানে নিয়মিত চিকুনগুনিয়ার পরীক্ষা করা হচ্ছে। তিনি জানালেন, এ পর্যন্ত মুঠোফোনের হটলাইনের মাধ্যমে ৪৮১ জনকে সেবা দেয়া হয়েছে।
গ্রিনরোডের ওষুধ ফার্মেসি মেডিসিন ওয়ার্ল্ডের বিক্রেতা মো. সারওয়ার বলেন, গত দেড় মাসে প্রতিদিন অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন চিকুনগুনিয়ার রোগী ওষুধ কিনতে এসেছে। তবে ইদানীং কিছুটা কমেছে।
চিকুনগুনিয়ার রোগের লক্ষণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, এ রোগের মূল উপসর্গ হলো জ্বর এবং অস্থিসন্ধির ব্যথা। শরীরের তাপমাত্রা অনেকটা বেড়ে প্রায়ই ১০৪ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠে যায়, তবে কাঁপুনি বা ঘাম দেয় না। জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে মাথাব্যথা, চোখ জ্বালা, গায়ে লাল লাল দানার মতো র?্যাশ, অবসাদ, অনিদ্রা, বমি বমি ভাব ইত্যাদি দেখা দিতে পারে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে, বিশেষ করে অস্থিসন্ধিতে তীব্র ব্যথা হয়, এমনকি ফুলেও যেতে পারে। তীব্র অবসাদ, পেশিতে ব্যথা, অস্থিসন্ধির ব্যথা ইত্যাদি জ্বর চলে যাওয়ার পরও কয়েক সপ্তাহ থাকতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে, এমনকি মাসের পর মাসও অস্থিসন্ধিতে ব্যথা বা প্রদাহ থাকতে পারে; যা অনেক ক্ষেত্রেই রোগীকে স্বাভাবিক কাজ করতে অক্ষম করে তোলে। রোগী ব্যথায় এতই কাতর হন যে হাঁটতে কষ্ট হয়, সামনে বেঁকে হাঁটেন।
রোগের চিকিৎসার কথা বলতে গিয়ে এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, অন্যান্য ভাইরাস জ্বরের মতো এই রোগের নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই। এর চিকিৎসা মূলত রোগের উপসর্গগুলো নিরাময় করা। রোগীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে এবং প্রচুর পানি বা অন্যান্য তরল খেতে দিতে হবে। জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল-জাতীয় ওষুধই যথেষ্ট। এর সঙ্গে সঙ্গে পানি দিয়ে শরীর মুছিয়ে দিতে হবে। তীব্র ব্যথার জন্য অন্য ভালো ওষুধ প্রয়োজন হতে পারে। রোগীকে আবার যেন মশা না কামড়ায়, এ জন্য তাকে মশারির ভেতরে রাখাই ভালো। কারণ, আক্রান্ত রোগীকে মশা কামড় দিয়ে কোনো সুস্থ লোককে সেই মশা কামড়ালে ওই ব্যক্তিও এ রোগে আক্রান্ত হবেন।
প্রতিরোধের কথা বলতে গিয়ে এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, চিকুনগুনিয়া জ্বরের কোনো প্রতিষেধক নেই, কোনো ভ্যাকসিন বা টিকাও নেই। তাই রোগ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো এডিস মশা প্রতিরোধ। এডিস মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংস করা এবং মশা নির্মূল করাই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। বাসাবাড়ির আশপাশে যেখানে পানি জমে থাকতে পারে তা সরিয়ে ফেলতে হবে এবং নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। ডাবের খোসা, কোমল পানীয়ের ক্যান, ফুলের টব এসব স্থানে যাতে পানি জমে না থাকে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। দরজা-জানালায় নেট লাগানো, ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার। জেনে রাখা ভালো, এডিস মশা মূলত দিনের বেলা এবং ঘরের বাইরেই বেশি কামড়ায়।
সরকারি হাসপাতালে হেল্প ডেস্ক
চিকুনগুনিয়া মোকাবেলায় দেশের সব সরকারি হাসপাতালে ‘হেল্প ডেস্ক’ খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনামন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের নির্দেশে হেল্প ডেস্ক খোলা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ।
এছাড়া চিকুনগুনিয়া আক্রান্ত রোগীদের শরীরের বিভিন্ন অস্থিসন্ধির ব্যথা প্রশমনে প্রতিটি হাসপাতালে ‘জয়েন্ট পেইন ক্লিনিক’ বা ‘অর্থালজিয়া ক্লিনিক’ খোলার উদ্যোগ নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এসব ক্লিনিক থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী ফিজিওথেরাপি বা ওষুধ গ্রহণ সংক্রান্ত বিষয়ে পরামর্শ দেয়া হবে।
দেশের সব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব সরকারি হাসপাতালে এই সেবা দেয়ার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।
রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এক জরুরি সভা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের সব সরকারি হাসপাতালের পরিচালক, বিভাগীয় পরিচালক ও সিভিল সার্জনদের কাছে এ বিষয়ে নির্দেশনা পেঁৗছে দেন আবুল কালাম আজাদ।
এর আগে চিকুনগুনিয়া পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য পাবলিক হেলথ ইমারজেন্সি অপারেশন সেন্টার বা চিকুনগুনিয়া নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে।
চিকুনগুনিয়া সম্পর্কে চিকিৎসক ও সাধারণ মানুষের প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য একটি সার্বক্ষণিক ‘হটলাইনও’ চালু রয়েছে। এর ফোন নাম্বার হলো- ০১৯৩৭১১০০১১ ও ০১৯৩৭০০০০১১।
এছাড়া চিকুনগুনিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে সচেতন হওয়ার জন্য িি.িরবফপৎ.মড়া.নফ ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্যও সবাইকে অনুরোধ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
চলতি বর্ষা মৌসুমের শুরুতে দেশের বিভিন্ন স্থানে চিকুনগুনিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।
এডিস প্রজাতির এডিস ইজিপ্টি এবং এডিস এলবোপিকটাস মশার মাধ্যমে চিকুনগুনিয়া রোগের সংক্রমণ হয়। ডেঙ্গু ও জিকা ভাইরাসও এই মশার মাধ্যমে ছড়ায় এবং রোগের লক্ষণ প্রায় একই রকম। এ ধরনের মশা সাধারণত ভোরবেলা অথবা সন্ধ্যায় কামড়ায়। একটি পরিবারের একজন আক্রান্ত হলে মশার মাধ্যমে অন্যদেরও আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন চিকুনগুনিয়া হলে শরীরের গিটে গিটে ব্যথার পাশাপাশি মাথা কিংবা মাংসপেশিতে ব্যথা, শরীরে ঠা-া অনুভূতি, চামড়ায় লালচে দানা, বমি বমি ভাব হতে পারে।
চিকুনগুনিয়া পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা না করে জ্বর হলে প্যারাসিটামল সেবন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এন্টিবায়োটিক না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।
ঘরের ভেতরে অর্ধস্বচ্ছ পানি, ফুলের টব, ফেলে রাখা কৌটা বা বোতল, পানির ট্যাংক, ছাদে জমে থাকা পানি, পরিত্যক্ত টায়ার, আবর্জনার স্তূপ বা ডাবের খোসার ভেতরেও জন্ম নিতে পারে এডিস মশা। তাই বাড়ির ভেতরে, বাড়ির ছাদে যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে।
মহামারী আকারে নয়: প্রতিমন্ত্রী
এদিকে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে চিকুনগুনিয়া আক্রান্তের হার বাড়লেও তা মহামারী আকার ধারণ করেনি বলে দাবি করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ঢাকার বাইরে এই রোগের বিস্তার তেমন একটা নেই বলেও ভাষ্য প্রতিমন্ত্রীর।
সোমবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০১৭ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি।
চিকুনগুনিয়া মহামারী আকারে ধারণ করেছে কিনা জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চিকুনগুনিয়া মহামারী আকার ধারণ করেনি, তবে বেশ ছড়িয়েছে; আর এটা মহামারী কোনো রোগও না। চিকোনগুনিয়ার প্রকোপ ঢাকা শহরেই বেশি দেখা যায়। অন্যান্য জেলায় এমন কোনো কেইস পাওয়া যায়নি।
দুদিন আগেও মানিকগঞ্জ থেকে ঘুরে এসেছেন জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, ?সেখানে দুজনও রোগীও পাওয়া যায়নি চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত।
তিনি বলেন, চিকুনগুনিয়া মারাত্মক কোনো রোগ নয়। এটা মশাবাহিত একটি রোগ, যেভাবে ডেঙ্গু হয়।
‘আমাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিভিন্ন হাসপাতালে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে এবং মানুষ যাতে সচেতন হয় সে জন্য সমস্ত মন্ত্রণালয়, সব মেডিকেল কলেজের ছাত্র এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়ে আমরা পথসভা করেছি।’
বিভিন্ন জেলায় মশা নিধনে কর্মসূচিও গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, একটা বিষয় মশা মারার জন্য বা মশা নিধন করার জন্য কিন্তু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কোনো ব্যবস্থা নেই, কোনো দায়িত্ব না। এটা মিউনিসিপল করপোরেশন করবে। তারা হয়তোবা এ বছর সেভাবে করতে পারেনি, সময় মতো করতে পারেনি।
‘বর্ষা চলে আসছে। যার ফলে মশা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং চিকুনগুনিয়াও বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু আশ্বস্ত করছি যে চিকুনগুনিয়া এখন একটু কমে আসছে। কারণ মানুষ সচেতন হয়েছে।’
মশার কামড় থেকে নিজেদের বাঁচিয়ে রাখার পাশাপাশি আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান জাহিদ মালেক।
চিকুনগুনিয়া রোধে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব মানুষকে চিকিৎসা দেয়া, মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি করা, মানুষ যখন হাসপাতালে আসবে তাদের সঠিক চিকিৎসা দেয়া এবং টেলিভিশন, পেপার-পত্রিকার মাধ্যমে মানুষকে জানানো।’
‘কীভাবে চিকুনগুনিয়া রোগ থেকে নিস্তার পাওয়া যায় এবং কীভাবে চিকিৎসা দিতে হয় এ বিষয় আমাদের দায়িত্ব।’
মশা নিধনে জোরালো পদক্ষেপ নেয়ার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ঢাকার মেয়রদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে বলে আরেক প্রশ্নের জবাবে জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘আমাদের মন্ত্রণালয়ে উনাদের আহ্বান করে আলোচনা হয়েছে। উনাদের আমরা বলেছি, মশা নিধন করার জন্য আরও জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।’
‘আপনারা আপনাদের এলাকা আরও সাফ (পরিষ্কার) করেন। এটাতো আমরা করতে পারব না। আমরা চিকিৎসা দিতে পারব। উনারা আমাদের আশ্বস্ত করে গেছেন যে, আগামীতে মশা নিধনে আরও ভালো পদক্ষেপ নেবেন।’

যাযাদি

পড়া হয়েছে ১২৭ বার

( বি:দ্রঃ আপনভূবন ডটকম -এ প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও, কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। কপিরাইট © সকল সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আপনভূবন ডটকম )

আপনার ফেসবুক একাউন্ট ব্যবহার করে মতামত প্রদান করতে পারেনঃ