অবক্ষয়ের দেশে একটি ‘স্বপ্নের স্কুল’

আগস্ট ১৩, ২০১৭, ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ

চিররঞ্জন সরকার

না, পরীক্ষার রুটিন ঘোষণার দাবিতে পুলিশের টিয়ার শেলের আঘাতে কোনো ছাত্রের চোখ নষ্ট হওয়া নয়, কোনো বিশেষ দাবিদাওয়া বাস্তবায়নে বিক্ষোভ, অনশন, ঘেরাও, শিক্ষকের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের হাতাহাতি, গলা চেপে ধরার বর্ণনাও নয়, আজ আমরা সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমধর্মী একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বর্ণনা করবো।

নিতান্তই মফঃস্বলের একটি স্কুল। মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। যারাই দেখেছেন, তারা প্রত্যেকে এটাকে একটি ‘স্বপ্নের স্কুল’ হিসেবে অভিহিত করছেন! কী আছে এই স্কুলে?

হ্যাঁ এক কথায় বলা যায়, এখানে অনেকগুলো অনুসরণীয় ভালো শিখন (Best Practice) রয়েছে। আর এখানে প্রতিনিয়ত উদ্ভাবনী উদ্যোগের প্রয়োগ ও চর্চা চলছে।

ছাত্রছাত্রীরা সকাল ৯টার মধ্যেই ডিজিটাল আইডি কার্ড মেশিনে ছুঁয়ে দিয়ে স্কুলে প্রবেশ করে। নিয়মিত উপস্থিতি প্রায় শতভাগ। স্কুলের গেট দিয়ে ঢুকতেই অভিভাবকদের জন্য ‘আনন্দ পাঠাগার’। শিশুদের জন্য অপেক্ষারত মায়েরা শিশুবিষয়ক গল্পের বইসহ বিভিন্ন বই পড়েন। বাড়িতে গিয়ে মায়েরা সেগুলি সন্তানদের শোনান।

এই পাঠাগারটি ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে অভিভাবকদের একটি কমিটি। তারা শুধু বই-ই পড়েন না স্বপ্রণোদিত হয়ে অনেকেই সহ-শিক্ষক হিসেবে ক্লাস নেন সন্তানদের। এর ফলে যেমন শিক্ষক-অভিভাবকদের মধ্যে আন্তরিকতা বাড়ছে, পাশাপাশি ছুটি বা ট্রেনিংয়ে থাকলে শিক্ষক সংকটে পাঠদানও ব্যাহত হচ্ছে না।

স্কুলে ঢুকতেই বাম পাশে টাইলস দিয়ে বাঁধানো ফ্রেমে কৃত্রিম ঘাস দিয়ে তৈরি বাংলাদেশের ম্যাপ। এখানে ছাত্রছাত্রীদের হাতে-কলমে ভুগোল শেখানো হয়।

এরপর রয়েছে অভিনব দেয়াল, যার নাম ‘মহানুভবতার দেয়াল’! কি হয় এই দেয়ালে? কেনই বা নাম মহানুভবতার দেয়াল? প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের আর্থিক অবস্থা সমান নয়। অনেক শিক্ষার্থীর যেখানে চাহিদার তুলনায় অঢেল আছে আবার অনেকের প্রয়োজনই মেটানোর সামর্থ্য নেই অভিভাবকের। অস্বচ্ছল বন্ধুটির পাশে দাঁড়িয়ে যায় স্বচ্ছল আরেক বন্ধু। যার যে জিনিসটি অতিরিক্ত আছে, ব্যবহার করেনা, বাড়িতে পড়ে আছে সে এসে এই হ্যাঙ্গারে সেই জিনিসটা রেখে যায়। আর যার নেই সে এসে হ্যাঙ্গার থেকে নিয়ে যায়। ২০১৫ সালের নভেম্বর মাস থেকে চলছে দেয়া-নেয়া এ চক্রটি। তবে এর কোনো রেকর্ড থাকে না কে দিচ্ছে আর কে নিচ্ছে। দাতা-গ্রহীতার তথ্য গোপন রাখার পেছনের কারণ কেউ যেন কাউকে মানসিকভাবে আহত না করে।

এই দেয়াল দেখে মনে হয়, বাংলাদেশের প্রতিটি স্কুলে যদি এমন একটি করে মহানুভবতার দেয়াল থাকতো! এখানে অপচয় না করে সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার শিশুরা ছোটবেলাতেই শিখছে। যা সত্যিই অতুলনীয়।মাগুরা প্রাথমিক বিদ্যালয়

কিছুটা এগিয়ে যেতেই একটি দেয়াল জুড়ে আছে ‘আলোকিত আচরণ সংগ্রহশালা’। স্কুলের কোনো ছাত্রছাত্রী যদি অনুকরণীয় ভালো কাজ করে, তাহলে তার ছবি দেয়ালে প্রকাশ করা হয় যাতে অন্যরা উৎসাহিত হয়। এদেশের প্রায় সব স্কুলের এসেম্বলীতে শিক্ষার্থীরা শপথ পাঠ করে। কিন্তু এই স্কুলের শিক্ষকরাও হাত তুলে শপথ পাঠ করেন। “আমি শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পাশাপাশি শিষ্টাচার, নৈতিকতা চর্চা ও মানবিক গুণাবলিসহ শিক্ষার্থীদের একজন সুনাগরিক ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সদা সচেষ্ট থাকব”। প্রতিদিন একেকজন শিক্ষক পর্যায়ক্রমে এই শপথ পাঠ করেন।

এই ভালো শিখনটা দেশের অন্য স্কুলগুলোতে শুরু করা যেতে পারে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের ব্যবহার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্পের একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ। এর মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা আনন্দের সঙ্গে শিক্ষা নিতে পারে। এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমে গুরুত্বপূর্ণ ক্লাসগুলির পাঠ গ্রহণ করছে। স্কুলের পুরো এলাকাসহ প্রতিটি ক্লাসে সিসি ক্যামেরা লাগানো। প্রধান শিক্ষক প্রয়োজনে তাঁর কক্ষে বসে প্রতিটি ক্লাসের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। এমনকি ‘ক্লাউডস অ্যাপ’-এ বিশ্বের যেকোন প্রান্ত থেকে সেটা দেখা যাবে।

স্কুলে আছে একটি Honesty Shop, যেখানে সাজানো আছে খাবার আর স্টেশনারি দ্রব্য কিন্তু কোনো বিক্রেতা নেই। ছাত্রছাত্রীরা যার যেটা প্রয়োজন, নিয়ে যাচ্ছে। আর স্বচ্ছ ক্যাশ বাক্সে জিনিসের দাম রেখে আসছে। শিশুকাল থেকে নৈতিকতা চর্চার অনুকরণীয় এক পদ্ধতি।

‘আজকের এই দিনে’ শিরোনামে একটি বোর্ড ঝুলছে বিদ্যালয়টির দেয়ালে। এইদিন কোন মনীষী জন্মেছেন কিংবা ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ কোনো ঘটনার সংক্ষিপ্ত উল্লেখ থাকে। আর ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা স্কুলে এসেই সেটা পড়ে মুখস্থ করে। নির্ভুল উত্তরদাতা পায় সেদিনের ‘আজকের শিশু’ নামের ব্যাজ। এটার জন্য নাকি ছাত্রদের মধ্যে খুব প্রতিযোগিতা হয়!

বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্লাসের শাখাগুলির নামকরণে রয়েছে ভিন্নতর চিন্তা। শাখাগুলির নাম পদ্মা, মেঘনা, যমুনা এরকম নদীর নামে। দেশের অধিকাংশ বিদ্যালয়ে শাখাগুলি ‘ক’, ‘খ’ এরকম হয়ে থাকে। প্রধান শিক্ষকের কাছে জানা গেলো এই বিদ্যালয়ের শাখাগুলি নদীর নামে করার কারণ ‘খ’ বা ‘গ’ শাখার শিক্ষার্থীরা যাতে হীনমন্যতায় না ভোগে।

স্কুলের দেয়ালগুলোতে ঝুলছে মাগুরার বিখ্যাত মনীষী কবি কাজী কাদের নেওয়াজ, মেমসাহেব খ্যাত নিমাই ভট্টাচার্য, ফররুখ আহমেদ, সুচিত্রা সেন, বিকাশ অভিনীত উত্তর ফাল্গুনী চলচ্চিত্রের লেখক নীহার রঞ্জন গুপ্ত এদের ছবি আর সংক্ষিপ্ত জীবনী। আছে মাগুরার শালিখা উপজেলার মধ্য দিয়ে চলে যাওয়া গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোডের ছবিসহ বর্ণনা। শের শাহ সড়ক নামে পরিচিত এই সড়ক বাংলাদেশের চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়ে পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া হয়ে পাকিস্তানের পেশোয়ারের মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানের কাবুল পর্যন্ত ২৫০০ কিলোমিটার বিস্তৃত রাস্তা।

বিদ্যালয়টির নিজস্ব ওয়েবসাইট (www.amgps.gov.bd) রয়েছে। গতবছর সকল নতুন ভর্তি কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন হয়েছে। একটি আধুনিক কম্পিউটারের মাধ্যমে বিদ্যালয়ে স্থাপন করা হয়েছে School Digital Service Point. এই পয়েন্টে ছাত্রছাত্রীরা কম্পিউটার শেখাসহ নানান বিষয় জানতে পারছে। এই বিদ্যালয়ের প্রতি আগ্রহীদের জন্য রয়েছে ফেসবুক পেজ (www.facebook.com/arparamodelgps)।

৬ শতাধিক শিক্ষাথীর এই বিদ্যালয়ে আছে মিড ডে মিলের সুবিধা এবং শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষকদেরও ড্রেসকোড।

গতানুগতিকতার বাইরে একেবারেই ব্যতিক্রমধর্মী, অনুকরণীয় এসব উদ্যোগের উদ্যোক্তা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইয়াসমিন আক্তার। তিনি তাঁর স্বপ্নের কারখানায় প্রতিনিয়ত ভবিষ্যতের সুনাগরিক গড়ে তুলছেন। স্বপ্নবান এই আলোকিত শিক্ষক, যার সামনে এসে উপলব্ধি হয়েছে এ জীবনে তেমন কিছুই করিনি। তাঁর ইচ্ছে, উপজেলা পর্যায়ের এই স্কুলের শিক্ষার মান ইউরোপীয় প্রাথমিক স্কুলের সমপর্যায়ে নিয়ে যাওয়া।

আমরাও চাই প্রধান শিক্ষক ইয়াসমিন আক্তারকে উন্নত প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য দেশের বাইরে পাঠানো হোক। তখন তিনি উন্নত দেশের Best Practice (ভালো শিখন) দেখে এসে সেই কার্যক্রম শুরু করবেন তাঁর স্কুলে যা পরবর্তীকালে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়বে।

ইয়াসমিন আক্তার তাদের একজন যারা নিজ উদ্যোগে চারপাশ বদলে দেন। ইয়াসমিন আক্তার কৃতজ্ঞ স্বরে জানালেন, তার এসব উদ্যোগে মাগুরার সাবেক জেলা প্রশাসক, জনাব মুহঃ মাহবুবর রহমানের সহযোগিতার কথা। জানালেন স্কুলটির ডিজিটাল কার্যক্রমে সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মো: মমিন উদ্দিনের আন্তরিক ভূমিকার কথা। বললেন, এই স্কুলে তার সহকর্মী অন্যান্য শিক্ষকদের কথা, যাদের আন্তরিক আর অক্লান্ত পরিশ্রমে স্কুলটি আজকের অবস্থানে এসেছে।

আমরা প্রতিনিয়ত উদ্ভাবনী উদ্যোগের সন্ধান করি। ভালো শিখনের (Best Practice) কথা বলি। মাগুরা জেলার আড়পাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেসব উদ্ভাবনী উদ্যোগ সাফল্যের সঙ্গে চলমান রয়েছে তা নিঃসন্দেহে দেশের অন্যান্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনুসরণীয়। এই স্কুলের লেখাপড়া কিংবা ব্যবস্থাপনা নিঃসন্দেহে আন্তর্জাতিক মানের। এই স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকরা যেন পর্যায়ক্রমে দেশে ও বিদেশে উন্নত প্রশিক্ষণ গ্রহণের সু্যোগ পায়-সেই ব্যবস্থা করা দরকার।

এখানে বলা দরকার যে, নিরক্ষর মানুষকে যেমন লিখতে, পড়তে ও অঙ্ক কষতে শেখাতে হবে এর পাশাপাশি করে তুলতে হবে স্বাস্থ্যসচেতন, বিজ্ঞানমনস্ক নীতিনৈতিকতাসচেতন। তাদের বোঝাতে হবে দৈনন্দিন স্বাস্থ্যবিধি, পুষ্টিসংক্রান্ত হাতে কলমে শিক্ষা, পানির সঠিক ব্যবহার, টিকাকরণ কর্মসূচি।মাগুরার প্রামিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

রোগ হলে যেমন দরকার চিকিৎসা, ঠিক তেমনই রোগাক্রান্ত না হবার জন্য কতকগুলি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। কোন রোগ কেন হয়, কীভাবে রোগ প্রতিরোধ করা যেতে পারে, সে সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বাড়ানো দরকার। রোগ প্রতিরোধ শুধু নয়, সচেতনতা প্রয়োজন রোগ প্রতিষেধক ব্যবস্থা সম্পর্কেও।

উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, বাড়ি ও তার আশেপাশে পানি জমতে দেওয়া উচিত নয়, চেষ্টা কর মশারি ব্যবহার করতে, রাস্তায় কাটা ফল খেও না, পানি ফুটিয়ে খাও, যে কোনো খাবার খাওয়ার আগে হাত ধুয়ে নাও, যেখানে সেখানে থুতু ফেল না– এসব কাজ কোনো রোগের চিকিৎসা নয়, রোগ যাতে না হয় তার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ। প্রিভেনসন ইজ বেটার দ্যান কিউর অর্থাৎ রোগ হলে চিকিৎসা নয়, রোগ না হওয়ার জন্য মানুষকে সচেতন ও সক্ষম করে তোলা।

একটা কথা এ প্রসঙ্গে মনে রাখা প্রয়োজন, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা শব্দ দুটি সম অর্থ বহন করে না। স্বাস্থ্য আমার, আপনার সুস্থ জীবনযাপনের অধিকারকে বোঝায়। ফলে জনস্বাস্থ্য গড়ে তোলা মানে চিকিৎসক, বদ্যি, ডাক্তারখানা, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, হাসপাতাল শুধু নয়। দরকার বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ গড়ে তোলা। বিজ্ঞানমনস্কতা মানে মোটা মোটা বিজ্ঞানের বই পড়া ও সূত্র মুখস্থ করা নয়। বিজ্ঞানমনস্কতা মানে যুক্তিবাদী, অনুসন্ধিৎসু মন গড়ে তোলা। চোখের সামনে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনাবলি ব্যাখ্যার চেষ্টা করা। এর মধ্য দিয়ে গড়ে উঠবে আত্মনির্ভরতা, নিজের ওপর আস্থা, কাটবে দুর্বলচিত্ততা ও ভীরুতা। একই সঙ্গে গড়ে তুলতে হবে স্বনির্ভর দল ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সম্পর্কে আগ্রহ।

বিদ্যালয়ের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্যকর পরিবেশসহ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যতথ্য প্রদান, সাংস্কৃতিক চর্চা, খেলাধুলা, বিজ্ঞানচর্চার মাধ্যমে বিজ্ঞানমনস্কতার বিকাশ ঘটানো ইত্যাদি ক্ষেত্রে আন্তরিক উদ্যোগ প্রয়োজন। এর জন্য বিশেষ কোনো বরাদ্দের প্রয়োজন নেই। কোনো রকম সরকারি বরাদ্দ ছাড়াই কেবল উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন সম্ভব।

আড়পাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সেই আলোর মশালই জ্বালিয়েছে। দেশের সবগুলো প্রাথমিক বিদ্যালয় এই বিদ্যালয়ের মতো হোক, এটাই প্রত্যাশা!

কৃতজ্ঞতা:  মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, জেলা প্রশাসক, মাগুড়া, ইয়াসমিন আক্তার, প্রধান শিক্ষক, আড়পাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

সূত্রঃ চ্যানেল আই অনলাইন

পড়া হয়েছে ১৭৭ বার

( বি:দ্রঃ আপনভূবন ডটকম -এ প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও, কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। কপিরাইট © সকল সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আপনভূবন ডটকম )

আপনার ফেসবুক একাউন্ট ব্যবহার করে মতামত প্রদান করতে পারেনঃ