আমাদের সংসার ভাঙার পেছনে তৃতীয় কারও হাত নেই

অক্টোবর ১০, ২০১৭, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ
টিভি পর্দার পরিচিত মুখ নোভা। উপস্থাপনা, অভিনয় ও বিজ্ঞাপন- তিন মাধ্যমের কাজ নিয়েই সরব তিনি। ভালোবেসে ছয় বছর আগে নির্মাতা রায়হান খানের সঙ্গে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। কিন্তু স্থায়িত্ব পেল না সে সম্পর্ক। ২৬ আগস্ট বিচ্ছেদ হয়েছে তাদের। সম্প্রতি এ বিয়ে বিচ্ছেদের ঘটনা প্রকাশ হয়েছে। বিচ্ছেদের কারণ ও অন্য প্রসঙ্গ নিয়েই আজকের ‘হ্যালো…’ বিভাগে কথা বলেছেন নোভা।

* প্রেমের বিয়ে। ছয় বছরের সংসার। বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত কেন

** শখ করে কখনও সংসারে বিচ্ছেদ হয় না। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার পরই সংসার থেকে সরে দাঁড়িয়েছি। আমরা দু’জনেই মিডিয়াতে কাজ করি। যতদূর জানি সৃজনশীল মানুষরা একটু এলোমেলো স্বভাবের হয়। আমরাও এর বাইরে নই। তবে রায়হানের অধিক অগোছালো ও দায়িত্বজ্ঞানহীন জীবন আমি পছন্দ করতে পারছিলাম না। আমার ও রায়হানের মধ্যে এসব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ঝামেলা চলছিল। আমি চাইছিলাম না এটা নিয়ে আমার ছেলের মধ্যে কোনো প্রভাব পড়–ক। তাই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ছেলেকে আমি সুস্থ পরিবেশে বড় করতে চাই।

* অনেকেই বলছেন আপনাদের সম্পর্ক ভাঙার পেছনে তৃতীয় কোনো ব্যক্তির হাত রয়েছে। এর সত্যতা কতটুকু?

** একটা বিষয় স্পষ্ট করে বলি, আমাদের সংসার ভাঙার পেছনে তৃতীয় কারও হাত নেই। আমরা দু’জন মিলেই বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সন্মান এখনও আছে। আমি চাই না আমার ছেলের বাবাকে কোথাও ছোট করবে। যারা এসব বলছেন তাদের কাছে অনুরোধ থাকবে, বিষয়টি নিয়ে নোংরামি করবেন না।

* আপনাদের সন্তান এখন তা হলে কার কাছে থাকবে?

** ও আমাদের দু’জনেরই সন্তান। আমি কখনই চাইব না ছেলের সঙ্গে তার বাবার দূরত্ব তৈরি হোক। আপাতত আমার কাছেই থাকছে। তার বাবার কাছে গিয়েও মাঝে মাঝে থাকছে সে। দু’জনের কাছেই থাকবে।

* এতে কী সন্তানের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে না?

** কিছুটা তো পড়বেই। তবে একসঙ্গে থাকলে আরও বেশি পড়ত। আর সংসার টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু সেটি সম্ভব হয়নি।

* রায়হান খানের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করছেন সেটি থেকে যদি বের হয়ে আসে তা হলে কী আবার তার কাছে ফিরবেন?

** ওর শুধু অগোছালো জীবনই নয়। সে সংসারের সব দায়িত্বই এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে। আর্থিক সমস্যা তো রয়েছেই। এভাবে সংসার চালিয়ে নেয়া যায় না। আরও অনেক কারণেই আমরা আলাদা হয়েছি। যদি কখনও আমাদের সমস্যাগুলোর সমাধান হয় তা হলে আমরা আবার এক হয়ে যেতেও পারি। সেটি সময়ের ওপর নির্ভর করছে।

যুগান্তর

পড়া হয়েছে ৯০ বার

( বি:দ্রঃ আপনভূবন ডটকম -এ প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও, কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। কপিরাইট © সকল সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আপনভূবন ডটকম )

আপনার ফেসবুক একাউন্ট ব্যবহার করে মতামত প্রদান করতে পারেনঃ