সিঙ্গাপুর সফরত মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে শ্রমজীবি প্রবাসীদের প্রত্যাশা--মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বাবু এর ব্লগ--আপন ভূবন ব্লগ - আপন প্রতিভার সন্ধানে 



প্রথম পাতা » মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বাবু এর ব্লগ » সিঙ্গাপুর সফরত মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে শ্রমজীবি প্রবাসীদের প্রত্যাশা

সিঙ্গাপুর সফরত মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে শ্রমজীবি প্রবাসীদের প্রত্যাশা

লিখেছেন : মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বাবু       ১৩ মার্চ ২০১৮ রাত ১১:২৪


০টি মন্তব্য   ১০৯ বার পড়া হয়েছে




সিঙ্গাপুরের প্রধান মন্ত্রী লি সিয়েং লুং এর আমন্ত্রনে বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন সিঙ্গাপুরে আছেন। তার ব্যাস্ততম সিডিউলের মাঝে শ্রমিকদের চাওয়া পাওয়া নিয়ে কথা বলার সুযোগ নেই।হয়তো থাকার কথাও নয়।অন্যদেশের রাজনীতি নিষিদ্ধ সিঙ্গাপুরে, তারপর ও আওয়মীলীগের অঙ্গ সঙ্গঠন বা শাখা হিসাবে আওয়ামীলীগ,যুবলীগ, ছাত্রলীগ, সেচ্ছাসেবক লীগ,বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক পরিষদ নামে সংগঠন রয়েছে।যা তারা বৈধ এবং কেন্দ্র থেকে অনুমুদিত বলে দাবী করেন।

বিভিন্ন সুত্রে পুর্বে থেকেই জানা যায়,এই সব অঙ্গ সংগঠনের সাথে কিংবা শ্রমজীবি প্রবসীদের সাথে দেখা হবার কোন সম্ভাবনা নেই।নিরাপত্তা ও প্রটোকল জনিত ইস্যু হোক, যে কোন ইস্যু হোক নির্ধারিত ব্যাক্তি,সংগঠন এর বাইরে কেউ ডিনার পার্টি বা অন্য কোথাও মতবিনিময় এর সুযোগ নেই।তারপর ও দল প্রিয় প্রবাসীরা রাত জেগে আলোচনা করে,স্বারক লিপি লেখে,ব্যানার করে।

রবিবার ১১ মার্চ ২০১৮ ইং,সকাল থেকে বিমান বন্দরের অদুরে বের হওয়ার পথের দুই পাশে অপেক্ষা করে। প্রবাসের মাটিতে ইতিহাসের সাক্ষী হবে।প্রিয় নেত্রীকে দেখবে একনজর।হোক তা দূর হতে,হাত নাড়িয়ে দেখাবেন প্রবাসের মাটিতে ঘাম,রক্ত পানি করা কর্মীদের।যারা দূর দেশে থেকে নিজের আয়ের অর্থে দলীয় অনুষ্ঠান করে থাকে।প্রধান মন্ত্রী যখন আকাশে তখন এইখানে কর্মীরা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়,লাইভ দেয়, কিন্তু প্রধান মন্ত্রীর গাড়ি প্রটোকল সহ চলে যায় অন্য পথে।সিঙ্গাপুরের শ্রম বাজার,শ্রমিকদের সুবিধা অসুবিধা আর জানানো যায়নি, দেয়া হয়নি স্মারক লিপি। এখানে নির্দিষ্ট বিশিষ্ট জনেরা দেখা পাবেন,তারা তো আর শ্রমিকদের কথা বলবেন না।যার ব্যাথা সেই বুঝে।

যেই সব সরকারের নেতৃবৃন্দ এখান কার শ্রমজীবীদের আওয়ামী সংগঠনের অনুমোদন দিয়েছেন, এখানে চিকিৎসার, বা ঘুরাঘুরি করতে এসে সংবর্ধনা নিয়েছেন তাদের সুপারিশ পাওয়া যায়নি, অথবা পড়েছে প্রটোকলের গ্যাঁড়াকলে।

শোনা যায়, যারা অনুমোদন দিয়েছেন,তাদের টেলিফোনেও কর্মীরা দেখা করার সুযোগ পায়নি।অবশ্য একটা বিশ্বস্ত সুত্র বলেছে,যদি কোন প্রোগ্রামের মাঝে সুযোগ পাওয়া যায় তাহলে হতেও পারে।তাতে কি শ্রমিকদের সমস্যার কথা প্রধানমন্ত্রী জানবেন,অবশ্যই না।

প্রধান মন্ত্রীর আগমন উপলখ্যে সিঙ্গাপুরের একমাত্র বাংলা পত্রিকা বাংলার কণ্ঠ মার্চ ২০১৮ সংখ্যায় শিরোনাম থেকে সম্পাদকীয়,নানা ভাবে প্রধান মন্ত্রীর সফর, বিভিন্ন চুক্তি, শ্রমবাজারের বিভিন্ন দিক নিয়ে লিখেছে।

প্রকাশ করেছে বিশেষ ক্রোড় পত্র। সিঙ্গাপুরের বিশিষ্ট জন থেকে শুরু করে সাধারন শ্রমজিবি যারা লেখালেখির সাথে যুক্ত, বিভিন্ন পেশায় জড়িত ভুক্ত ভোগীদের সাথে কথা বলে বেশ কয়েক জনের চাওয়া পাওয়া মতামত প্রকাশ করে।যা দেড় লক্ষ প্রবাসীর প্রায় একলক্ষ শ্রমিকের কথা।সেখানে আমার লেখা মতামত ও রয়েছে।যা হু বহু তুলে ধরলাম।

জানি এতে কোন কাজ হবে না।আমার মতো অখ্যাত মানুষের কথার মুল্যায়ন সরকার,হাই কমিশন করবেনা। আমি তো আর দল করিনা।খেটে খাওয়া মানুষ।তাও মনের তৃপ্তির জন্য লেখা।

বাংলার কণ্ঠের জানতে চেয়েছে:

১. :সিঙ্গাপুরে আসার আগে ও পরে কি কি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে?

আমার মতামত-

সিঙ্গাপুরের আসার পূর্বের সমস্যা বাংলাদেশের ট্রেনিং সেন্টার। সেখানে মোটা অংকের টাকা তিন থেকে চার লক্ষ টাকা নিয়ে নেয়.ডিমান্ড নেই ,আইপির খবর নেই ট্রেনিং করিয়ে বসিয়ে রাখে।বেশির ভাগ কোম্পানি এখানে সাপ্লাই ,মেন্ কোম্পানি বলে পাঠায়।অথচ এখানে এসেই বিপদের সম্মুখীন হয়. ইলেক্ট্রিশিয়ানকে পাঠায় মাটি কাটায়,ওয়েল্ডার হয়ে যায় রিবার ম্যান ,কাজে এসে কাজ বুঝা না বুঝা নিয়ে লজ্জার শিকার হয়. অর্থাৎ স্কিল যে কাজে সে কাজে আসতে পারেনা আবার স্কিল করার সময় ঘুষ দুর্নীতিতে পাশ করানো হয়. বলেও পাঠিয়ে দে.ট্রেনিং সেন্টারেই তিন থেকে চার লক্ষটাকা চলে যায়। যদি কেউ পার্সোনালি ভিসা এরেঞ্জ করে পাসপোর্ট তুলতে ,রেজাল্টসীট তুলতেও লক্ষ টাকা খরচ হয়ে যায়.এবার আমার কথা দিয়ে ,বলি

প্রবাসে মানুষ কেন আসছে।অবশ্যই অর্থের জন্য।দেশের মুজুরি আর বিদেশের মুজুরি পার্থ্যক্য হবে স্বাভাবিক।সিঙ্গাপুর আসার পূর্বে সৌদি আরব,তার পূর্বে দেশে ছিলাম,দেশে থাকতে কাজের অনুসারে দেশ অনুসারে সঠিক মূল্যায়ন হয়নি প্রাপ্য মুজুরীতে।তাইপাড়ি বিদেশ,সৌদি আরব,সেখানে যেতে হয়েছিল শিক্ষাগত যোগ্যতার চেয়ে নিন্ম পদে.সেখানেও পাওয়া যায়নি সঠিক মূল্যায়ন।সেখান থেকে আসা সিঙ্গাপুর। স্বপ্ন ছিল অনেক।এখানেও বেতন বৈষম্য,সুবিধাধিতেও বৈষম্য। সিঙ্গাপুরে তাদের বেতন কত তা নিয়ে আমরা মাথা ঘামাই না। তাদের দেশ তাদের বেশি থাকবেই। তারা আট ঘন্টা র বেশি কাজ করে না। সঠিক সময়ে সিঙ্গাপুরিদের সেলারি হয়.আট ঘন্টার পর ওভার টাইম থাকে।যত কাজ তত পয়সা। আফসোস বাংলাদেশিদের জন্য। তাদের কর্ম ঘন্টার সাথে ,কাজের পরিধির সাথে মিল নেই। চায়না ,ভারতীয়দের সাথে বাংলাদেশিদের বেতন ও সুবিধায় বৈষম্য। দৈনিক মুজুরীতে বৈষম্য।

২. কিভাবে এই সমস্যার সমাধান করা যায়?

আমার মতামত- এখানে এই সিঙ্গাপুরের শ্রমবাজার কূটনৈতিক সম্পর্কে তৈরী হয়নি। এক সময় টুরিস্ট হিসাবে এসে দিনে দিনে শ্রমিকদের দ্বারাই তৈরী হয়েছে এই শ্রম বাজার। ক্রেডিট যায় সরকারের। কিন্তু সরকার ,আমাদের সরকার বা হাইকমিশন বাংলাদেশিদের ,অন্তত দক্ষ শ্রমিক কিংবা যাদের বিশেষ স্কিল থাকে তাদের বেতন কত হবে, থাকার জায়গা কেমন হবে এর একটি নীতিমালা,নিয়ম কানুন জরুরি ভাবে করতে পারে ।একজন লোক সিঙ্গাপুরে আসতে হাত থেকে হাত হতে ভিসা বা আইপির দাম বেড়ে যায়.মাত্র এক বছরের পারমিট,ফিক্সড রেটে আঠারো ডলারের কিংবা মাসিক বেতনে এই সময় খরচ কৃত টাকা(আট -দশ লক্ষ) উঠানো যায় না.তাই আইপি বা ভিসার মূল্য যাতে কম পড়ে তার জন্য কাজ করা উচিৎ। হতে পারে সরকারি ভাবে একটা বা দুইটা এজেন্ট ছাড়া আসতে পারবে না কেউ.আর খরচ প্লেন ফেয়ার ছাড়া কিংবা ভিসার নূন্যতম চার্জ ছাড়া বাড়তি খরচ হবে না। আইপি বা ভিসার মেয়াদ এক কালীন দুই তিন বৎসর যাতে হয় সে ব্যাপারে কূটনৈতিক ভাবে এগোনো দরকার।মোদ্দা কথা আইপি খরচ,আইপির মেয়াদ,স্টাইনডার বা স্কিল অনুযায়ী বেতন,আর সঠিক সময়ে মাসের বেতন নিয়ে কাজ করতে হবে.

৩. হাই কমিশনের নিকট থেকে প্রত্যাশিত সেবা পাচ্ছে? কোন কোন ক্ষেত্রে পাচ্ছে কোন কোন ক্ষেত্রে পাচ্ছে না।

মতামত- আসলে হাই কমিশন কাদের জন্য এটা বোঝাই মুশকিল,হাইকমিশন কয় জনে চিনে , কয় জন জানে ,জানা নেই, হাই কমিশনের কাজ কি এটা সম্পর্কে প্রত্যেক বিদেশগামীদের বিশেষ কোর্স দেয়া দরকার,বুকলেট দেয়া দরকার,হয়তো হাই কমিশনের কাছে তাদের দায়িত্বের বুকলেট আছে.তবে দু'পক্ষের জানা থাকলে ক্ষোভ থাকতোনা। এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার বাংলাদেশী প্রবাসী সিঙ্গাপুরে। দায়সারা দু 'একটা ডরমেটরি ভিজিট, নির্দিষ্ট জায়গায় দু'একটা লোক দেখানো অনুষ্ঠান ছাড়া কিছু করে বলে জানা নেই.ফেসবুকে পত্রপত্রিকায় বিশেষ সোসাইটির সাথে বিশেষ দিবসের অনুষ্ঠান ছাড়া তারা শ্রমিক সমস্যা নিয়ে ,এমন কি কাজ করছেন জানা নেই.অনেক সময় শোনা যায় তাদের জনবল কম,সব জায়গায় তাদের যাবার একসেস নেই। এমন কি কেউ মারা গেলে দেশে পাঠাবার ব্যাপারে কিছু করার থাকেনা,হাই কমিশনের। এ প্রসঙ্গে মৃত্যু পথযাত্রী মনিরের কথা মনে পড়ছে।একটা এনজি ও আর এই বাংলার কণ্ঠের মাধ্যমেই দেশে গিয়ে ছিল সেই মনির।আর কন্টেইনার কাহিনী অনেকের জানা। সময় অনেক গড়িয়েছে।হয়তো অনেক হাইফাই সেবা পাচ্ছেন কেউ.আরে হাইকমিশনা তাদের অফিস পর্যন্ত নিয়ে গেছে শ্রমিকের নাগালের চেয়ে দূরে।তবে এখন সারা বিশ্ব তো হাতের মুঠোয় ,তারা তাও বলতে পারে।কোম্পানির বেতন,কাজের সুবিধা অসুবিধা,থাকা খাওয়া,জীবন যাপন নিয়ে কাজ না করুক কেউ সমস্যা নিয়ে গেলে ঠিক মতো সময় দিয়ে একটা ইমেইল বা সংশ্লিষ্ট কোম্পানির র সাথে দু একটা মিটিং করলেও হাইকমিশনের পা ধু পানি খাবে শ্রমিকরা। আইপি পি কি ভাবে হয়,কথা থেকে কিভাবে রিজেক্ট হচ্ছে ,তার তথ্য ও তারা জানেনা।কারো রিজেক্ট হলে কেন হলো অন্তত এইটা জানাতে পারবে কি ,আমাদের হয় কমিশন, বলবে এটা সিঙ্গাপুরের বিষয়,তাদের কাছে গেলেইতো তারা জানবে আর জানাতে পারবে শ্রমিকদের। শ্রমিকরা ধরেই নিয়েছে .হাইকমিশন তো চিকিৎসার উদ্দেশ্যে কিংবা ঘুরতে আসা ভি আইপি ,সি আই পি দের প্রটোকল এর জন্য!। শ্রমিক কল্যানে সভায় অংশ নেন সোসাইটি আর বিজনেস চেম্বারের নেতারা।দু একজন শ্রমিক যদিও থাকা তারা সোসাইটির পরিচিত।

৪.প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের প্রত্যাশা

আমার প্রত্যাশা-বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আমাদের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশের জন্য ভাবেন তা আমরা বিগত দিনের উন্নয়ের ধারা দেখেই বুঝতে পারি।সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশিদের জব মার্কেট বিলুপ্ত হচ্ছে। একসময় ননস্কীল অনেকেই সিটিজেন ,ব্যবসায়ী হয়ে গেছেন।এখন মানুষের কাজ নেই চলে যাচ্ছে। অব কাঠামো উন্নয়ন কিছুটা শিথিল হওয়ায় মার্কেটে কিছুটা ধ্বস ও নেমেছে।এই শ্রম বাজার টিকিয়ে রাখতে কূটনৈতিক তৎপরতায় আমাদের যোগ্যতা অনুসারে কাজ এবং তার পারিশ্রমিকের জন্য কথা বলতে হবে ,পারিশ্রমিক সঠিক সময়ে প্রদানের জন্য আলোচনা করে ,শ্রমিকের মান উন্নয়নে তার সংশ্লিষ্ট বিভাগ কে নির্দেশ দিতে পারেন। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ইচ্ছা করলেই হাই কমিশন তার উঁচু গন্ডি পেরিয়ে শ্রমিকের কাছে আসতে পারেন।কাছে থেকে সমস্যার সমাধান করতে পারেন।হাইকমিশনের এখতিয়ারে নয় এমন কোন বিষয়ই নেই.শ্রমিকের পাসপোর্ট, ভিসা,আইপি কাজ,কাজের মুজুরি,থাকা খাওয়া ,চিকিৎসা ,তারা নিরাপদ দেশে ফেরা পর্যন্ত তাদের দায়িত্ব।এ জন্য দেড় লক্ষ বাংলাদেশিদের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন নেই.ফর্ম,ফরম্যাট,ডিজিটাল পদ্ধতি ,সেবার মনমানসিকতা থাকলেই এই শ্রমবাজার দীর্ঘায়ু হবে,রেমিটেন্স আরো বাড়বে।

আমি দীর্ঘ দশ বিছর আছি সিঙ্গাপুরে।শ্রমিক ভাইদের

সাথে মিশেছি।দেখেছি কাছে থেকে।লেখালেখি ও করেছি বাংলার কণ্ঠ সহ বাংলাদেশ,আমেরিকা,কানাডা সহ বিভিন্ন দেশ থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষার অনলাইন পত্রিকায়।তুলে ধরেছি নানা দিক।হয়তো কাজ হয়নি।কি করব কলম তো আর থামেনা।দায়বদ্ধতা থেকেই যায়।

ধন্যবাদ সংশ্লিষ্ট পত্রিকা সম্পাদক,নিউজ রুমকে যারা নিয়মিত আমার মতো শ্রমজীবি প্রবাসীর লেখা প্রকাশ করছেন।

অত: পর ,আওয়ামীলীগ সিঙ্গাপুর এর স্মারকলিপি হস্তান্তর:

সিঙ্গাপুর আওয়ামীলীগ ও তার সকল অঙ্গ সংগঠন এবং সিঙ্গাপুরে বসবাসরত সকল বাংলাদেশী প্রবাসীদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করা হয় ।

হোটেল সাংরিলায় ১২ -৩-২০১৮ ইং, রাত এগারোটায় স্মারক লিপি গ্রহন করেন প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর প্রধান নিরাপত্তা ও সামরিক সচিব জনাব, মো : জয়নূল আবেদীন ।

স্মারক লিপি ও সিঙ্গাপুর থেকে প্রকাশিত একমাত্র বাংলা পত্রিকা হস্থান্তর করেন ,১) মো : সালাউদ্দিন রানা (সভাপতি সিঙ্গাপুর আওয়ামীলীগ) ২) মো : আল আমিন ( সাধারন সম্পাদক সিঙ্গাপুর আওয়ামীলীগ ) ৩) কে এইচ, আল আমিন ( আহবায়ক সিঙ্গাপুর যুবলীগ ) ৪) মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী ( সভাপতি সিঙ্গাপুর সেচছাসেবকলীগ )

সিঙ্গাপুর থেকে




মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বাবু,সিঙ্গাপুর
ব্লগ লিখছেন ২ বছর ২ মাস ২২ দিন, মোট পোষ্ট ৯৩টি, মন্তব্য করেছেন ০টি,          



এই ধরনের আরো কিছু পোস্ট.


বাবর আলী, মুখোশের আড়ালে মুখোশ!

ইলিশ গুঁড়ি সন্ধ্যায় কফির চুমুক

কবি বেঁচে থাকে কবিতার মাঝেই

বাঁচাও,বাঁচাও,বাঁচাও

ইচ্ছে হয়
 

মন্তব্য সমূহঃ

মন্তব্য করতে লগিন করুন।

ইমেইল: পাসওয়ার্ড: রেজিস্ট্রেশন করুন